দোহার-নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের মহব্বতপুর গ্রামে পারিবারিক শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত আওলাদ হোসেনের (৫৫) ঘাতকদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে এলাকা। আজ রোববার দুপুরে বান্দুরা এলাকায় নিহতের স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
ঘটনার প্রেক্ষাপট: উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মহব্বতপুর গ্রামের আনোয়ারের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র যুবক স্থানীয় ইয়ামিনের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলায় বাধা দিতে গেলে ইয়ামিনের ফুফা আওলাদ হোসেনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত করে হামলাকারীরা। মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আওলাদ ওই গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ খলিফার ছেলে।
আজকের মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে এই ধরনের হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আনোয়ার, মনির, ইমন ও আবিরসহ অন্যান্যরা পলাতক রয়েছে। মানববন্ধন শেষে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার আলম আজাদ নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের সান্ত্বনা দেন। তিনি উপস্থিত জনতাকে আশ্বস্ত করে বলেন, “ইতিমধ্যেই অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়েছে। পুলিশের একাধিক টিম তাদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ওসি আরও জানান,পরিস্থিতি এখন পুলিশের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।


Reporter Name 















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































