নিজস্ব প্রতিবেদক : দোহার উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ চক এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ঘর এখন মাদকসেবীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিনত হয়েছে। বিকেল হলেই মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক বেচাকেনার পাশপাশি সেবনও করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষজন উদ্বিগ্ন।
জানা যায়, উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ চকে গত বছর সবজি বাগানের শ্রমিকদের বিশ্রাম ও থাকার জন্য একটি দোতলা ঘর নির্মাণ করে দেন মোস্তাক আহমেদ নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু ঘরটি শুরু থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় এলাকার মাদকসেবীরা নিরাপদ স্থান হিসেবে ঘরটিকে ব্যবহার করে আসছে। বিকেল হলেই লক্ষীপ্রসাদ, রাইপাড়া, কাঠালীঘাটা ও জয়পাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা মোটর সাইকেলে এখানে এসে জড়ো হয়। তারপর ঘরের দোতলায় অবস্থান নিয়ে চলে মাদক বেচাকেনা ও মাদক সেবনের আসর। চলে গভীর রাত পর্যন্ত।
এলাকাবাসী বলেন, এলাকাটি দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার মাঝামাঝি হওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীরা নিরাপদ হিসেবে স্থানটিকে বেছে নিয়েছেন। বিকেল হলে অনেকে চক এলাকায় হাঁটতে যায় কিন্ত মাদকসেবীদের জন্য তাও অনেকটা বন্ধ। মাদক কারবারীদের ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে পারছেন না।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক কৃষক জানান, আমরা দুইবেলা এই চকে ঘাস করতে আসি। কিন্তু মাদকসেবীদের আনাগোনার কারনে আমাদের ভয় হয়। এজন্য অনেক সময় এদেরকে এড়িয়ে যাই। তিনি জানান, বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে মাদকের আসর। পুলিশ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক কারবারীরা ব্যবসা চালিয়ে আসছে।
দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে কেউ যদি পরিত্যক্ত ঘরে মাদক বেচাকেনা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


Reporter Name 















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































