নিজস্ব প্রতিবেদক : সারাদেশে সরকার ঘোষিত লকডাউনের প্রথম দিন সোমবার (০৫ এপ্রিল) পালিত হয়েছে। লকডাউন বাস্তবায়ন করতে সারাদেশের ন্যায় ঢাকার দোহার-নবাবগঞ্জেও পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের অভিযান পরিচালনা করেছেন। তবে দিনে লকডাউন চলাকালীন সময়েও সাধারণ মানুষের চলাচল ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। দিনের বেলায় লকডাউন কতটুকু পালিত হয়েছে তা নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আলোচনা এবং সমালোচনা থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র।
সন্ধ্যা হতেই দোহারের জয়পাড়া এলাকার পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি ক্রমেই কমতে থাকে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে রিকশাচালকরা যাত্রীর খোঁজে দাঁড়িয়ে থাকলেও যাত্রী সংখ্যা ছিল খুবই কম। রাতের রাস্তায় সুনসান নীরবতা বিরাজ করে। মালবাহী ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, প্রাইভেটকার এবং মোটরসাইকেল চালকদের ফাঁকা পথে গন্তব্যে ছুটতে দেখা যায়। চলতি বছরে দোহার-নবাবগঞ্জের রাস্তাঘাটে এমন নীরবতা আর দেখা যায়নি।
সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত দোহার-নবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ও রাস্তাঘাটে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
সরেজমিনে, ছোট-বড় দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। রাতের বেলায় কোনো ধরনের গণপরিবহনও দেখা যায়নি। দিনের বেলায় বিভিন্ন রাস্তায় পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলার কাজে নিয়োজিত বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি দেখা গেলেও রাতে উপস্থিতি ছিল খুবই কম।
এছাড়াও দোহার-নবাবগঞ্জের আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, হোটেল ও বেকারিসহ ফাস্ট ফুডের সব দোকান বন্ধ। এলাকাবাসী জানিয়েছে, বিকেল থেকেই পুলিশ এসে সন্ধ্যার আগেই দোকানপাট বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে গেছে। এ কারণে সবাই দোকানপাট বন্ধ করে দেন।


Reporter Name 














































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































